Nishi’s Story - a little true story .
আমি সাধারনত রাতে , এক হাঁটুর উপর অন্য পা- তুলে, ফেইসবুকে কিছু সময় মাথা ব্যবহার করি । রাতের কথা বলছি , ধরি রাত ১.৩০ এর পর । অনেকের কথা বলতে পারি না ,যে এতো রাতে তারা বাসায় তৈরি করে, মাঝে মধ্যেই চা খায় কিনা ? কিন্তু আমি তা করি । ধরি একদিন রাতে, পায়ের উপর পা তুলে, ফেইসবুক USE করছি, পাশেই ছিল নিজের তৈরি করা চা । হঠাৎ পেইজে চলে আসলো - মক্কা শরীফের ছবি, সাথে সাথে পা নামিয়ে নিলাম । ভাবলাম পরে, ...এই যে, যদি পা..টা, না- নামিয়ে রাখি । এই টা চরম বেয়াদবি, গুনাহ হবে। সেই প্রথম বুঝলাম ফেইসবুকের একটি গুন , যে ..হয়তো আমি, এখন একা, কিংবা পাশের সবাই ঘুমিয়ে আছে, পা না নামালে ও চলবে । কিন্তু আমি তা ভাবতে ও সময় নিলাম না । ভাবা -ভাবি পরে,আগে তো পা নামাই । তাহলে কি হলো ?
আমি একা আছি,তাতে কি? কেউ দেখুক - অথবা না দেখুক , এক আল্লাহ তো দেখছে , নিশ্চয়ই এই ভাবনা ছিল আমার । যদি ও আমি মুসলমান , আমি নিজেও জানতাম না যে, ইসলাম ধর্মের প্রতি আমার এতোটাই সন্মান। নিজের প্রতি নিজের একটা আলাদা করে বিশ্বাস তৈরি হলো। আর এই বিশ্বাস টা তৈরি হয়েছে, অথবা আগেই..তা, তৈরি হয়ে ছিলো, কিন্তু তা প্রকাশ পেল...... "ফেইসবুকের কারনে ""
(( এখন আর হাঁটুর উপর পা তুলে রাখি না। কারন এখন , একটু পর পর, ইসলামিক কথাবার্তা, ইসলামিক ভিডিও, ইসলামিক গজল, সূরা ইয়াসিন, হতে সমস্ত কোরআন শরীফ তিলাওয়াত,ও নবীদের জীবনী ও তাদের মাথার পাগরী হতে কবরের ছবি । একটার পর একটা আসতেই থাকে । তাই আগে থেকেই পা নামিয়ে রাখি।
আমার আবার ভুলো মন,, যদি ভুল হয়ে যায় । তাই ফেইসবুক, চালানো অবস্থায়, পায়ের উপর পা,আর তুলি না ।
( সংগ্রহ )
- ভাবনা -হইতে নিজ জ্ঞান, করি মানুষের তরে দান , ইসলামের পথে আছে মোদের চির- সত্য, সন্মান।
শেষ কথাটা - এখন বাজে রাত ৩-৪৩, ঘরের লাইট অফ, কিন্তু একটু পর .........পর, কলম পড়ে, স্কেল পড়ে ,আবার মাঝে মাঝেই শব্দ পাই পানি পড়ে । ঘটনা খারাপ, ফাপড়ে আছি , লেখায় ও অনেক সমস্যা হচ্ছে ।
মন্তব্যসমূহ